Friday, 26 February 2016

কিছু বিলাপ কথা

কিছু বিলাপ কথা

আব্দুল মান্নান মল্লিক

মাঝপথে দাঁড়িয়ে পথ অবরোধ না করে, নিজে চলুন ও অপরকে চলতে সহযোগীতা করুন।
নিজে ভালো কিছু করার চেষ্টা করুন। দেখবেন আপনি একদিন সবার প্রিয়জন বা গুণীজন হয়ে উঠবেন।
সুযোগ খুজতে ব্যস্ত থাকবেন না, কারও একটু-আধটু বানানের বা ভাষার ভুল ধরতে, এবং সেটা তার কমেন্ট বা টাইমলাইনে পোস্ট করতে।
এমন হলে নতুন কিছু লেখক, তারা নিরাশ হয়ে হাতের কলম ছুড়ে ফেলে দিবে। একদিন সেই ক্ষুদ্র লেখক বাংলার গৌরব হতে পারে।
মানুষের কাছেই মানুষ শিক্ষালাভ করে। তেমন কিছু ভুল-ত্রুটি যদি চোখে পড়ে, তার ইনবক্সে সাক্ষাৎ করে, তাকে উৎসাহিত করে আলোচনার
মাধ্যমে সংশোধন করুন।
ত্রুটি ক্ষমাপ্রার্থী।

Thursday, 25 February 2016

মৃত্যুকে সরণ

মৃত্যুকে সরণ

আব্দুল মান্নান মল্লিক

যে সর্বদা মৃত্যুকে সরণ করে, তার বাসা বেঁধে কি লাভ! বাসা বাঁধতে যতটুকু সময় লাগে, মৃত্যু সেই সময়টুকুর ও অপেক্ষা করেনা।



Wednesday, 24 February 2016

সময়ের মূল্য

সময়ের মূল্য

আব্দুল মান্নান মল্লিক

একদম অপ্রীতিকর পোস্ট করবেন না। শাসন নয়, আমার অনুরোধ। সময় নষ্ট করে দুর্নামের বোঝা মাথায় না নিয়ে, মূল্যবান সময়কে কাজে লাগান। ভালো কিছু লিখুন ও পোস্ট করুন। ভালো বন্ধুদের বন্ধু হয়ে যান। একবার তাকিয়ে দেখুন ঘড়ির দিকে। ঘড়ির কাঁটা কেমন চলছে। ঠিক তেমনি আপনার জীবন থেকে মুল্যবান সময় সরে যাচ্ছে। বিশ্বাস করেন বা নাই করেন, আমি যখন এই কথাটি ভাবি, আমার রাতের ঘুম হারিয়ে যায়।

Saturday, 6 February 2016

অকালসন্ধ্যার কথন

অকালসন্ধ্যার কথন
               ♣
কুড়ি জন লেখকের লেখা এই বইটি। অকালসন্ধ্যার কথন। আমি নিজেও একজন লেখক, তাই আগ বাড়িয়ে বেশী কিছু বলতে চাচ্ছিনা।
হাসি কান্না দিয়ে সাজানো, বিভিন্ন লেখকের মন মাতানো গল্পের এই বইটি। উন্নত মানের মানসম্মান বজায় রেখেই বইটি বাঁধানো হয়েছে।
প্রথমে আমরা যতটা আশা করেছিলাম, বইটি ভালো চলবে, প্রিয় পাঠকদের সহযোগীতায় সেই আশা অতিক্রম করে চলেছে। প্রথমদিন বই না পেয়ে কিছু সংখ্যক বই প্রেমী নিরাশ হয়ে ফিরে এসেছেন, তার জন্য আমরা ভীষণভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
এখন আর সমস্যা নাই , অতএব প্রিয় পাঠকেরা বইটি সংগ্রহ করে পড়বেন, এবং মাতামত জানাবেন।
প্রিয় লেখক, এবং প্রিয় পাঠক আপনাদের প্রতি আমার আন্তরিক ভালোবাসা শভেচ্ছা রইলো। সঙ্গে শুভকামনা নিরন্তর।
♦♦
গ্রন্থঃ অকালসন্ধ্যার কথন । Okalsondhar Kothon
সম্পাদকঃ আহসান আল আজাদ
ধরনঃ গল্প সংকলন
প্রচ্ছদশিল্পীঃ রাজিব রায়
প্রকাশকঃ আহসান আল আজাদ
প্রকাশনী সংস্থাঃ বাংলার কবিতা প্রকাশন-Banglar Kobita Prokashon
সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

Tuesday, 26 January 2016

বিলু ভুতের জীবনী

বিলু ভুতের জীবনী

আব্দুল মান্নান মল্লিক

(*****সম্পূর্ণ কাল্পনিক ঘটনা*****)
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
বইটি প্রথম প্রকাশ হয়েছিল >২০১৬
সম্পাদক > হেংলা ভুতুম
ছাতিনে তলার পুস্তক প্রকাশন
asd 32, শেওড়া তলা
হাঁড়িগড়া , ধূধূলির মাঠ - ০০১২, ভুতরাজ্য
ইমেল > hht000+♣fals.story

মানুষেরা যেমন , কবিতা, গল্প, নাটক আরও বিভিন্ন ধরণের বই লিখে লেখক বা কবি হয়। আমাদের মধ্যেও কত ভালো ভালো লেখক আছে।
আমার নাম বিলু ভুতুম। ভুতের রাজ্যে আমি সবচেয়ে বড় লেখক। জীবনে অনেক বই লিখেছি। ইচ্ছা হলো ভুতরাজ্যের বাইরে মানুষের কাছে আমার লেখা বই একটা প্রকাশ করব। তাই আমার জীবনী দিয়ে লিখা এই বইটা মানুষদেরকে উপহার দিচ্ছি।
মানুষের সঙ্গে আমাদের চিরদিনের শত্রুতা, আজও মেটেনি। মানুষ আমাদের সাথে কোনোদিনই পেরে ওঠেনি। ওঝা, বদ্যি ওস্তাদ যায় বলনা কেন, এরা আজও আমাদের কিছু করতে পারেনি। এরা আজও আমাদের পিছনে লেগেই আছে। তাই এরাই আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় শত্রু। তবে আমরা সহজে কারও ক্ষতি করতে চাইনা, কেউ যখন আমাদের ক্ষতি করে, তাকে আমরা সহজে ছাড়ি না।
আমরা যে কোনো সময় যে কোনো রূপে রূপান্তরিত হতে পারি। মুহূর্তের মধ্যে আমরা, যে কোনো জীবজন্তুর রূপ ধারণ করতে পারি। আবার যখন ইচ্ছা করি, কারও আত্মাকে ঘুম পাড়িয়ে দিয়ে তার দেহে প্রবেশ করি, আমার ইচ্ছা যেটা চায়, তাকে দিয়ে করিয়ে নিয়। সেটা ভালো বা মন্দ যাই হোক, তার ঘাড়েই চেপে যায়।
♥(১) তোমাদের মধ্যে এক নাম করা ওস্তাদ ছিল। তার নাম হেকমত আলি, নিশ্চয় তোমরাও ওস্তাদ হেকমত আলির নাম শুনেছ। আমাদের কাজে বারবার বাঁধা দিয়েছে। অবশেষে আমরা অতিষ্ট হয়ে তার স্ত্রীকে শ্বাসরুদ্ধ করে মেরে ফেলেছি। দিনটা ছিল শনিবার। হেকমত আলির শরীরে প্রবেশ করেছিলাম। সামান্য কারণে তার স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া বাঁধিয়ে দিলাম। পাড়ার অনেকেই ঝগড়া শুনে ছুটে আসে। এক কথা দু কথা হতে না হতেই তার স্ত্রীকে শ্বাসরুদ্ধ করে মেরে দিয়ে তার শরীর থেকে বেরিয়ে আসি। পাড়ার লোকজনে দেখলো হেকমত আলি তার স্ত্রীকে শ্বাসরুদ্ধ করে মেরে ফেললো। স্ত্রীহত্যার অপরাধে হেকমত আলিকে পাঁচ বছর জেল হেফাযতে থাকতে হয়েছে। হেকমত আলি এখন অস্তাদগিরী ছেড়ে দিয়েছে।
♥(২) কানুর বাড়ির পিছনে একটি ঘন পাতা ভর্তি তেঁতুল গাছ। ধু-ধু রোদ্র, তাই একটু তেঁতুলগাছে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলাম। কানুর বউ হেসিল ঘরে কি সব ভাজা ভুজো করছে । বাতাসে ভেসে আসছে শুটকি মাছের গন্ধ। ভুতেরা শুটকি মাছের গন্ধ পেলে আর স্থির থাকতে পারিনা। তাই একটি বিড়ালের রূপ ধরে ওই হেসিল ঘরে ঢুকে দেখি, তখনো ভাজাভুজো চলছে। আমি কেবলমাত্র মিউ করে ডাকতেই কানুর বউ আমার গায়ে গরম জল ঢেলে দিয়েছিল। আমি বেশ কিছুদিন কষ্ট পেয়েছি। তার জন্য কানুর বউকে এমন খেসারত দিতে হয়েছে, যে আজও চোখের জল ফেলে চলেছে।
কানুর ছোটছোট দুই ছেলে। বড় ছেলের শরীরে আশ্রয় নিয়ে দুই ভায়ে বাড়ির পূর্ব দিকের পুকুরের ধারে খেলতে থাকি। এদিক ওদিক তাকিয়ে আশপাশে কেউ নেই। ছোট ভাইকে দিলাম পুকুরে গড়িয়ে। ভাইটা হাত পা নাড়তে নাড়তে কি সুন্দর জলের মধ্যে তলিয়ে গেল। তারপর আমি কানুর বড় ছেলের দেহ থেকে বেরিয়ে আসি।
♥(৩) পটু রসিক নামে একটি মানুষ ছিল, বেশ বয়স্ক। লাঠির সাহায্যে চলাফেরা করত। বাঁধিয়ে বাঁধিয়ে বেশ গল্প বলতে পারত।  প্রতিদিন সন্ধের পরে পথের ধারে এক বারান্দায় বসে গল্পের আসর জমাতো। আমাদের নামে কুৎসা রটিয়ে বিভিন্ন রকম গল্প বাঁধিয়ে বলতো, আর পাশে যারা শুনতো তারা হো-হো করে হাসত। যেটা আমরা মোটেই সহ্য করতে পারতাম না।
পটু রসিকের দৃষ্টিশক্তি তুলে নিয়েছিলাম। তাইবলে সে অন্ধ হয়ে যায়নি। আমার দৃষ্টি দিয়ে সে দেখতে পেতো। আমি যখন যেটা দেখতাম, সে তাই দেখত। তার খাবার সময় আমি দেখতাম সজনে গাছের পোকা, তার খাবারের থালাতে কিলবিল করত ঐ পোকা। পটু রসিক খাবার ছেড়ে উঠে পড়ত। বাড়ির লোককে বলতো, তোরা আমাকে পোকা খেতে দিয়েছিস? বুড়ো হয়েছি বলে যা ইচ্ছা তাই করবি? এই চললাম, বাড়িতে আর থাকব না, বলে লাঠি ধরে উঠতে যাবে? লাঠিকে দেখতো সাপ। বেচারা একেবারে নাকাল হয়ে গেছিলো। পাড়ার লোকেরা কেউ কেউ বলে, বুড়ো হয়েছে তাই ভীমরতি ধরেছে। এই কথা শুনে পটু রসিক আরও ক্ষেপে উঠলো।  বাড়ির লোকেরা ভাবলো, মাথার কোনো গণ্ডগোল হয়েছে। তাই কনকনে শীতের সময়, বাড়ির লোকেরা ঠাণ্ডা জল ঢেলে ভিজিয়ে দিল পটুর গোটা শরীর। তাতেও যখন সুস্থ হচ্ছে না, তখন মাথায় বরফ চাপিয়ে বেঁধে দিলো।
দুইদিনেই বেচারা মরণাপন্ন।
পটু রসিক বুড়ো মানুষ, তাই দুইদিন কষ্ট দেওয়ার পরে তাকে মুক্তি দিয়েছি। সবাই ভাবল বরফে ভালো কাজ হয়েছে।
♥(৪) সে অনেকদিন আগের কথা। পল্লীসমাজ নামে একটি দলের নেতা ছিলেন গজপতি নাথ। তিনি তার দলবল নিয়ে একদিন মিটিং করে
বলেছিলেন, এবার আমাদের প্রথম প্রকল্প, যত ভুতুড়ে গাছ আছে সব কেটে ফেলতে হবে। শেওড়া,তেঁতুল ও ছাতিনে, এই সব গাছ একটা ও রাখা চলবেনা।
নেতার এই নিষ্ঠুর ভাষণ শুনে আমরা, অর্থাৎ ভুতেরা চরম ক্ষুব্ধ হয়েছিলাম। মানুষেরা যদি এইভাবে আমাদের উপর অত্যাচার করে, তাহলে আমরা থাকবো কোথায়? ঠিক আছে দেখাচ্ছি মজা।
নেতার পরবর্তী মিটিং হাসিম নগরে। প্রচুর মানুষের সমাগম। আমরা জনা চারেক ভুত ঐ মিটিং-এ উপস্থিত হয়। নেতার ভাষণ দেওয়ার পূর্ব মুহুর্তে আমি উনার শরীরে প্রবেশ করি। এবার জনগণ চোখে দেখবে নেতাকে , আর ভাষণ দিবো আমি।
স্টেজে উঠতেই চারিদিকে হাত তালি পড়তে লাগলো। আমি হাতের ইশারা দিয়ে সবাইকে শান্ত হয়ে বসতে বললাম। সবাই ভাষণ শুনতে চুপচাপ বসে পড়লো।
শুরুতেই বক্তব্য রাখলাম-
বন্ধুগণ, আমরা আজ এখানে সবাই উপস্থিত হয়েছি নতুন যোজনা বিকাশের জন্য। আমাদের এলাকার পরিস্থিতি উন্নতির দিকে এগিয়ে চলেছ। আমরা সবাই ধনী, মুষ্টিমেয় কিছু সংখ্যক মানুষ এখনো দারিদ্র্যতায় জীবন যাপন করছে। আজ যদি এই মানুষগুলো না থাকতো, দেশের মর্যাদা অনেক বেড়ে যেতো। বাইরের কোনো দেশে আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারিনা। আমরা গর্ব করে বলতে পারিনা, যে আমাদের দেশের সবাই ধনি। এর জন্য আমাদের এলাকার মানসম্মানের হানি হয়।
তাই আমরা নতুন করে উদ্যোগ নিয়েছি , বিনা পয়সাতে বিষ বিতরণ। বিষের দোকানে নিজের নাম সাক্ষর করলেই দোকানদার ২৫ গ্রাম পরিমাণ মতো বিষ দিয়ে দিবে। এটা তারাই পাবে, যারা দারিদ্র্যতায় জীবন যাপন করছে। আজ থেকে এক মাসের মধ্যে, প্রতিটা গরীব মানুষকে এই বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করতে হবে। যে না করবে তাকে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করা হবে।
নেতার এই অবৈধ অশ্লীল ভাষণ শুনে এলাকার জনগণ ক্ষেপে উঠলো। কিন্তু প্রতিবাদ করতে কেউ সাহস পাচ্ছিল না।
মানুষের রূপে বসে থাকা আমার সঙ্গী তিনজন হৈ-হুল্লোর শুরু করে দিতেই, জনগণ সবাই স্টেজ ভেঙে নেতা গজপতি নাথকে টেনে নিচে নামিয়ে বেদম মারপিট আরম্ভ করে দিল। মারপিট আরম্ভের মুহুর্তে ওর শরীর থেকে বেরিয়ে আসি। বেচারা গজপতি নাথ মারের কারণ কিছুই বুঝতে পারলেননা।

♣ ( বিশেষ দ্রষ্টব্য, আমার এই বইটা মানুষের কাছে পৌছে দেওয়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে, তোমরা আমাদেরকে আমাদের মতো থাকতে দাও, আর তোমরা তোমাদের মতো থাকো। আমাদের স্বাধীনতার ব্যাঘাত ঘটালে তোমাদেরও ওই হাল হবে। )

Tuesday, 19 January 2016

অধম মধ্যম উত্তম

অধম মধ্যম উত্তম

আব্দুল মান্নান মল্লিক

( ১ ) কোনো এক ব্যক্তি , যে ব্যক্তি অপরকে ঠকিয়ে দশ হাজার টাকার ধান্দা করলো। হঠাৎ ঐ ব্যক্তি রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ে। ডাক্তার ও ঔষধ পত্রে বিশ হাজার টাকা খরচা করে রোগমুক্ত হল। সে মনেমনে ভাবতে লাগলো, লোক ঠকানো ঐ দশ হাজার টকা যদি না থাকতো, তাহলে আমি রোগমুক্ত হতে পারতাম না। অকালেই মৃত্যুকে মেনে নিতে হতো। আমার কাছে ছিল মাত্র দশ হাজার টাকা।
( ২ ) ঐ রকম এক অপর ব্যক্তি, তারও একই হাল হয়েছিল, কিন্ত এই ব্যক্তি অনুতপ্ত হল ও ভাবতে লাগলো, এটা আমার পাপের ফল, লোক ঠকিয়ে দশ হাজার টাকার ধান্দা যদি না করতাম, তাহলে আমার কোনো রোগই হতো না। আমার নিজস্ব দশ হাজার টাকা আমার কাছেই থেকে যেতো।
( ৩ ) অন্য এক ব্যক্তি সে ভাবতে লাগলো , আমি ভালোই আছি। ঐ দুই ধরণের প্রতারক, আমি কাউকেই পছন্দ করিনা।

( একটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে, যে যেমন প্রকৃতির ব্যক্তি, সে সেইরকমই মন্তব্য করে বসে। )
♥♥
১ নং অধম, ২ নং মধ্যম, ৩ নং উত্তম।

Tuesday, 15 December 2015

পরিচিতি

আব্দুল মান্নান মল্লিক, জন্ম তারিখ ১১/০৯/১৯৬২, জন্মস্থান ও বাসস্থান - মরাদিঘী, রেজিনগর থানার অন্তর্ভুক্ত, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ। ইং ১৯৭৮ সালে মাধ্যমিক পাশ করে সিউনারায়ন রামেশ্বর ফতেপুরিয়া কলেজে ভর্তি হয়। এখানেই পড়াশুনা সমাপ্তি করা হয়।  ব্যস্ততম জীবনের অবসর সময়ে ২০১৪ সালের শেষের দিকে কবিতা লিখতে শুরু করি।