দিবানিশি
আব্দুল মান্নান মল্লিক
শুভ্রা বিশাল ক্ষমতাশালী এক নারী, দৈব শক্তির অধিকারীনি ও তেজস্বীনি। তিনি কখনো কঠোর আবার কখনো মমতাময়ী। সঙ্কটকালে মানুষের পাশে এসে বিপদমুক্ত করেন। তাই তিনি সবার কাছে খুব প্রিয় হয়ে উঠেছেন। শুভ্রার প্রতিভা তীব্র গতিতে প্রভাব বিস্তার করে প্রতিটা মানুষের মনে। মানুষ তাদের সুখ দুঃখের দায়ভার সমস্ত মমতাময়ী শুভ্রার হাতে ন্যস্ত করেন।
তাই বছরে একবার ফুল চন্দন নানান উপকরণে জাঁকজমক করে সমাদরে শুভ্রাকে আহ্বান করেন। সেইসময় যে যার মতো অভাব অভিযোগ মমতাময়ী শুভ্রার কাছে পেশ করেন।
শুভ্রা প্রতিটা মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠতে দেখে অত্যাচারী শ্যাম বিচলিত হয়ে উঠলো, কিছুতেই এটা বরদাস্ত পারছেনা।
শ্যাম মনে মনে ফন্দি আঁটে, ছলে বলে কৌশলে শুভ্রাকে দূর্বল করে নিজেই বিশাল শক্তির অধিকারী হয়ে ত্রিভুবনের অধিপতি হবে। তাই সে শুভ্রাকে একা করে দিতেই শুভ্রা-র প্রিয়জনদের উপর দিনের পর দিন অত্যাচার করে এবং পশুর ন্যায় বল প্রয়োগ করে,এবং কারও প্রাণ নাশ করতেও দ্বিধান্বিত হয়না।
শ্যামের উদ্দেশ্য শুভ্রা-র অনুগতের প্রত্যেকেই ভয় পেয়ে ফিরে আসুক শ্যামের অনুগতে।
আসলেই তো শ্যাম পশুর আচরণে সৃষ্ট। তাই হিংস্র জন্তু জানোয়ার নিয়েই শ্যাম গোষ্ঠী।
ইচ্ছা করলে শুভ্রা স্বল্প ইশারাতেই শ্যাম গোষ্ঠীর প্রত্যেককে নিজের বসে আনতে পারেন , এমনকি দৃষ্টি শক্তি প্রয়োগ করে নিমেষেই ভস্ম করে দিতেও পারেন। শুভ্রার আগমনি বার্তা ছিল শ্যামের মহা বিষমকাল।
শুভ্রার ওজ্বল্যতা শক্তি ছিল শ্যাম গোষ্ঠীর সর্বনাশা।
তাই শুভ্রার মুখোমুখি দাঁড়াতে না পেরে নিরীহ ভক্তদের উপর হিংসার বল প্রয়োগ করে চলেছে।
শুভ্রার আগমনকালে শ্যাম ভয়ে নিজেকে নিরাপদ রাখতে সকলের অগোচরে অজানা ঠিকানায় আত্মগোপন করে। গোষ্ঠীর বাকী সকলের এইভাবে আত্মগোপন করার কৌশল জানা ছিলনা, তাই তারা ঝোপঝাড় বা নোংরা ডোবা, খালে লুকিয়ে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতো।
শুভ্রা-র অবর্তমানে শ্যাম রাজশাসন চালিয়ে যায়। রাস্তাঘাটে গ্রাম-গঞ্জে শ্যাম গোষ্ঠী বলশালী বিকট চেহারা নিয়ে কর্কশ কন্ঠে বিকট চিৎকার চেঁচামেচি করে শুভ্রার ভক্তদের ভয় দেখিয়ে স্বপক্ষে টানতে চায়। শ্যাম গোষ্ঠী অত্যাচারের সীমা অতিক্রম করতে চলেছে। শুভ্রার ভক্তগণ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।
আর নয়, নানান উপকরণে আবারও করুণাময়ী শুভ্রাকে আহ্বান করেছেন তার ভক্তগণ। শুভ্রা এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে জানিয়েছেন, যে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই আসছেন। আরও জানিয়েছেন তিনি, এবারের যুদ্ধ হবে এমনই, বিনা রক্তাক্তে শ্যাম গোষ্ঠীর সবাইকে বন্দী করে তাদের অন্তরের অন্ধকারকে বোধ করবেন নিজের ঔজ্জ্বল্য প্রভায়।
আব্দুল মান্নান মল্লিক
শুভ্রা বিশাল ক্ষমতাশালী এক নারী, দৈব শক্তির অধিকারীনি ও তেজস্বীনি। তিনি কখনো কঠোর আবার কখনো মমতাময়ী। সঙ্কটকালে মানুষের পাশে এসে বিপদমুক্ত করেন। তাই তিনি সবার কাছে খুব প্রিয় হয়ে উঠেছেন। শুভ্রার প্রতিভা তীব্র গতিতে প্রভাব বিস্তার করে প্রতিটা মানুষের মনে। মানুষ তাদের সুখ দুঃখের দায়ভার সমস্ত মমতাময়ী শুভ্রার হাতে ন্যস্ত করেন।
তাই বছরে একবার ফুল চন্দন নানান উপকরণে জাঁকজমক করে সমাদরে শুভ্রাকে আহ্বান করেন। সেইসময় যে যার মতো অভাব অভিযোগ মমতাময়ী শুভ্রার কাছে পেশ করেন।
শুভ্রা প্রতিটা মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠতে দেখে অত্যাচারী শ্যাম বিচলিত হয়ে উঠলো, কিছুতেই এটা বরদাস্ত পারছেনা।
শ্যাম মনে মনে ফন্দি আঁটে, ছলে বলে কৌশলে শুভ্রাকে দূর্বল করে নিজেই বিশাল শক্তির অধিকারী হয়ে ত্রিভুবনের অধিপতি হবে। তাই সে শুভ্রাকে একা করে দিতেই শুভ্রা-র প্রিয়জনদের উপর দিনের পর দিন অত্যাচার করে এবং পশুর ন্যায় বল প্রয়োগ করে,এবং কারও প্রাণ নাশ করতেও দ্বিধান্বিত হয়না।
শ্যামের উদ্দেশ্য শুভ্রা-র অনুগতের প্রত্যেকেই ভয় পেয়ে ফিরে আসুক শ্যামের অনুগতে।
আসলেই তো শ্যাম পশুর আচরণে সৃষ্ট। তাই হিংস্র জন্তু জানোয়ার নিয়েই শ্যাম গোষ্ঠী।
ইচ্ছা করলে শুভ্রা স্বল্প ইশারাতেই শ্যাম গোষ্ঠীর প্রত্যেককে নিজের বসে আনতে পারেন , এমনকি দৃষ্টি শক্তি প্রয়োগ করে নিমেষেই ভস্ম করে দিতেও পারেন। শুভ্রার আগমনি বার্তা ছিল শ্যামের মহা বিষমকাল।
শুভ্রার ওজ্বল্যতা শক্তি ছিল শ্যাম গোষ্ঠীর সর্বনাশা।
তাই শুভ্রার মুখোমুখি দাঁড়াতে না পেরে নিরীহ ভক্তদের উপর হিংসার বল প্রয়োগ করে চলেছে।
শুভ্রার আগমনকালে শ্যাম ভয়ে নিজেকে নিরাপদ রাখতে সকলের অগোচরে অজানা ঠিকানায় আত্মগোপন করে। গোষ্ঠীর বাকী সকলের এইভাবে আত্মগোপন করার কৌশল জানা ছিলনা, তাই তারা ঝোপঝাড় বা নোংরা ডোবা, খালে লুকিয়ে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতো।
শুভ্রা-র অবর্তমানে শ্যাম রাজশাসন চালিয়ে যায়। রাস্তাঘাটে গ্রাম-গঞ্জে শ্যাম গোষ্ঠী বলশালী বিকট চেহারা নিয়ে কর্কশ কন্ঠে বিকট চিৎকার চেঁচামেচি করে শুভ্রার ভক্তদের ভয় দেখিয়ে স্বপক্ষে টানতে চায়। শ্যাম গোষ্ঠী অত্যাচারের সীমা অতিক্রম করতে চলেছে। শুভ্রার ভক্তগণ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।
আর নয়, নানান উপকরণে আবারও করুণাময়ী শুভ্রাকে আহ্বান করেছেন তার ভক্তগণ। শুভ্রা এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে জানিয়েছেন, যে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই আসছেন। আরও জানিয়েছেন তিনি, এবারের যুদ্ধ হবে এমনই, বিনা রক্তাক্তে শ্যাম গোষ্ঠীর সবাইকে বন্দী করে তাদের অন্তরের অন্ধকারকে বোধ করবেন নিজের ঔজ্জ্বল্য প্রভায়।

